নাটোরের বড়াইগ্রামে একটি পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে সংঘটিত ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি লুট হওয়া মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৬ মে রাতে বড়াইগ্রামের বনপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা সেখানে থাকা ৪ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে রাখে। পরে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও ব্যাটারি লুট করে ট্রাকে করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সিগনি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক অনিক কুমার বিশ্বাস বড়াইগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলার পর নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ যৌথভাবে নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সদস্যদের মধ্যে রুহুল আমিন ও সৈকত নামের দুইজন ডাকাতির মূল সমন্বয়ক। তারা জেলখানায় বসেই এই ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।অভিযানে ৩৫০টি ব্যাটারি সেল, ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ট্রাক, ১০টি মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার ও অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৬ মে রাতে বড়াইগ্রামের বনপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। তারা সেখানে থাকা ৪ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধর করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে রাখে। পরে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও ব্যাটারি লুট করে ট্রাকে করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সিগনি ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক অনিক কুমার বিশ্বাস বড়াইগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলার পর নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ যৌথভাবে নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সদস্যদের মধ্যে রুহুল আমিন ও সৈকত নামের দুইজন ডাকাতির মূল সমন্বয়ক। তারা জেলখানায় বসেই এই ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।অভিযানে ৩৫০টি ব্যাটারি সেল, ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ট্রাক, ১০টি মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার ও অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।