বয়সের ভার, শারীরিক অসুস্থতা ছাপিয়েও অনেকের মনে সুপ্ত বাসনা থাকে পবিত্র কাবা শরীফ দর্শনের। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ মা-বাবার শেষ বয়সের এই ইচ্ছা পূরণ করা সন্তানদের জন্য এক পরম সৌভাগ্যের বিষয়। সম্প্রতি এক ব্যক্তির এমন এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
এক ব্যক্তি জানান, তার মায়ের বয়স ৭০ বছর। তিনি দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস রোগী। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন—একবার পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। কিন্তু বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সফরসঙ্গী বা ‘মাহরাম’। ওই ব্যক্তির বাবা বেঁচে নেই এবং সফর করার মতো কোনো ভাইও নেই। এমতাবস্থায় তিনি জানতে চান, তার মা কি আপন দুলাভাইয়ের (বোনের জামাই) সঙ্গে ওমরাহ পালন করতে পারবেন? পাশাপাশি মায়ের সেবার সুবিধার্থে বোন ও দুলাভাইকে একসঙ্গে ওমরাহতে পাঠানো এবং সেখানে একই ফ্ল্যাটে আলাদা কক্ষে অবস্থান করা বৈধ হবে কি না?
এই বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বোনের জামাই বা জামাতা শাশুড়ির জন্য আজীবনের মাহরাম। অর্থাৎ একজন নারীর জন্য তার জামাতা মাহরাম হিসেবে গণ্য হন। সুতরাং ওই নারী তার জামাতার (মেয়ের জামাই) সঙ্গে পবিত্র ওমরাহ পালনের সফরে যেতে পারবেন। এতে শরিয়তের কোনো বাধা নেই।
ফতোয়ায় আরও উল্লেখ করা হয়, যদি সঙ্গে আপন মেয়ে থাকেন, তবে সফরটি আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনক হবে। বিশেষ করে অসুস্থ মায়ের সেবার ক্ষেত্রে এটি একটি উত্তম ব্যবস্থা। আর সৌদি আরবে অবস্থানের সময় একই ফ্ল্যাটে আলাদা আলাদা কক্ষে অবস্থান করাও সম্পূর্ণ বৈধ।
উল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা বা দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি বিবেচনায় রেখে বয়স্কদের ক্ষেত্রে পরিচিত মাহরামের সঙ্গে থাকা শুধু ধর্মীয় বিধানই নয়, বরং তাদের শারীরিক নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
এক ব্যক্তি জানান, তার মায়ের বয়স ৭০ বছর। তিনি দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস রোগী। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন—একবার পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। কিন্তু বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সফরসঙ্গী বা ‘মাহরাম’। ওই ব্যক্তির বাবা বেঁচে নেই এবং সফর করার মতো কোনো ভাইও নেই। এমতাবস্থায় তিনি জানতে চান, তার মা কি আপন দুলাভাইয়ের (বোনের জামাই) সঙ্গে ওমরাহ পালন করতে পারবেন? পাশাপাশি মায়ের সেবার সুবিধার্থে বোন ও দুলাভাইকে একসঙ্গে ওমরাহতে পাঠানো এবং সেখানে একই ফ্ল্যাটে আলাদা কক্ষে অবস্থান করা বৈধ হবে কি না?
এই বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বোনের জামাই বা জামাতা শাশুড়ির জন্য আজীবনের মাহরাম। অর্থাৎ একজন নারীর জন্য তার জামাতা মাহরাম হিসেবে গণ্য হন। সুতরাং ওই নারী তার জামাতার (মেয়ের জামাই) সঙ্গে পবিত্র ওমরাহ পালনের সফরে যেতে পারবেন। এতে শরিয়তের কোনো বাধা নেই।
ফতোয়ায় আরও উল্লেখ করা হয়, যদি সঙ্গে আপন মেয়ে থাকেন, তবে সফরটি আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনক হবে। বিশেষ করে অসুস্থ মায়ের সেবার ক্ষেত্রে এটি একটি উত্তম ব্যবস্থা। আর সৌদি আরবে অবস্থানের সময় একই ফ্ল্যাটে আলাদা আলাদা কক্ষে অবস্থান করাও সম্পূর্ণ বৈধ।
উল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা বা দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি বিবেচনায় রেখে বয়স্কদের ক্ষেত্রে পরিচিত মাহরামের সঙ্গে থাকা শুধু ধর্মীয় বিধানই নয়, বরং তাদের শারীরিক নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত জরুরি।