ফ্লোরিডায় নিহত লিমনের বাড়িতে মাতম, মরদেহ ফেরানোর দাবি পরিবারের

আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ১১:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ১১:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জে লালডোবা এলাকায় চলছে শোকের মাতম। শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রামের মানুষ।গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জামিল আহমেদ লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফ্লোরিডা পুলিশ।


এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানান, লিমন পড়ালেখা শেষ করে অনেক বড় হয়ে দেশের সেবা করবেন। তার এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।নিহত শিক্ষার্থী লিমন লালডোবা এলাকার জহুরুল হকের ছেলে। শৈশব কেটেছে গাজীপুরের মাওনা এলাকায়। বর্তমানে তার পরিবার রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বাস করে।



স্বজনরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে গত ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন জামিল আহমেদ লিমন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যান তিনি।  তার বন্ধু নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যান। তারা দুজনই সেখানে পিএইচডি করছিলেন। গত শুক্রবার জামিল আহমেদ লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফ্লোরিডার পুলিশ। বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে লিমন বড় ছিল। ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছাত্র ছিল লিমন। বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে তিনি সব সময় ব্যস্ত থাকতন। গ্রামে এলে সবার সঙ্গে মিশে যেতেন। গ্রাম তার অনেক পছন্দ ছিল। মিষ্টি তার প্রিয় খাবার। বাড়িতে এ লেই সে বায়না ধরতো মিষ্টি খেতে।



লিমনের দাদা পূর্ব বিনতটঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাজী আলতাফুর রহমান বলেন, ‘লিমন বাড়িতে আসলেই আমার কাছে বায়না ধরতো মিষ্টি খেতে। বাজার থেকে মিষ্টি এনে দিতাম। অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। সে বাবার ইচ্ছে পূরণের জন্য লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকতো। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবরে পুরো গ্রাম স্তব্ধ হয়ে গেছে। গ্রামের গর্বের ধন ছিল লিমন। আমাদের সব শেষ। যারা এ ঘটনা ঘটিয়ে তাদের শাস্তি চাই। তাদের ইচ্ছে লিমনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হোক। সরকারের কাছে এই দাবি তাদের।’


লিমনের জ্যাঠা জিয়াউল হক বলেন, ‘লিমন সবশেষ ২০২৩ সালে আমার মেয়ের বিয়েতে এসেছিল। এটাই তার সঙ্গে শেষ দেখা। এরপর মোবাইলে মাঝে মধ্যে কথা বলতো।শুক্রবার সকালে (স্থানীয় সময়) টাম্পা বে’র হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর পাওয়া যায় লিমনের মরদেহ। তবে বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ব্রিজের আশপাশের এলাকায় বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।


 


 __________________________________________________________

MyTv Bhaban, 155, 150/3, Hatirjheel, Dhaka-1219

Phone. ☎ +880255128896 ; Fax. +880255128899

Email. news@mytvbd.tv

web: www.mytvbd,www.mytvbd.com