সকালের শুরুটা যদি হয় এক কাপ গরম পানির সঙ্গে সামান্য দারুচিনি, তাহলে অনেকেই মনে করেন দিনটা হয়তো আরও স্বাস্থ্যকরভাবে শুরু করা সম্ভব। প্রাচীনকাল থেকেই প্রাকৃতিক এই মসলাটিকে ঘিরে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগুণের কথা বলা হয়ে আসছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকার পেতে হলে জানতে হবে সঠিক নিয়ম, আর না হলে এতে লুকিয়ে থাকতে পারে কিছু ঝুঁকিও।দারুচিনি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করার মাধ্যমে এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
শুধু তাই নয়, ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুচিনির সম্ভাব্য ভূমিকার কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে এবং ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে।দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহ কমানোর উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ–এর তথ্যেও দারুচিনির কিছু উপাদানের এমন প্রভাবের কথা উল্লেখ রয়েছে।
হজম শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে বলে মনে করা হয়। খালি পেটে অল্প পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সহায়তা করতে পারে বলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতাও রয়েছে। দারুচিনিতে থাকা কুমারিন নামের একটি উপাদান বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা।
খালি পেটে বেশি দারুচিনি খেলে অ্যাসিডিটি বা পেটে জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার এটি রক্ত পাতলা করার প্রভাব ফেলতে পারে, তাই যাদের রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা রয়েছে বা যারা এ ধরনের ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা থেকে এক চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে এতে সামান্য মধু যোগ করা যায়। তবে এটি নিয়মিত বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত নয়।
যাদের ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দারুচিনি নিয়মিত গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
শুধু তাই নয়, ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুচিনির সম্ভাব্য ভূমিকার কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে এবং ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে।দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহ কমানোর উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ–এর তথ্যেও দারুচিনির কিছু উপাদানের এমন প্রভাবের কথা উল্লেখ রয়েছে।
হজম শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে বলে মনে করা হয়। খালি পেটে অল্প পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সহায়তা করতে পারে বলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতাও রয়েছে। দারুচিনিতে থাকা কুমারিন নামের একটি উপাদান বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে যকৃতের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে অতিরিক্ত গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা।
খালি পেটে বেশি দারুচিনি খেলে অ্যাসিডিটি বা পেটে জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার এটি রক্ত পাতলা করার প্রভাব ফেলতে পারে, তাই যাদের রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা রয়েছে বা যারা এ ধরনের ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা থেকে এক চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চাইলে এতে সামান্য মধু যোগ করা যায়। তবে এটি নিয়মিত বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত নয়।
যাদের ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দারুচিনি নিয়মিত গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।