ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ , ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রটোকল ভেঙে জনগণের সাথে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী এবার পার্বত্য দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকরা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছেন: ইশরাক সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে অবরোধকারীদের গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে তরুণ প্রজন্মকে সোচ্চার থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, কার্যকর ১ নভেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেফতার রুপপুর পারমাণবিক বিদ‍্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের গাড়িবহর অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, মাদক-নারীসহ আটক ৮৪ স্বৈরাচার পয়সা দিচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী ৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

বৃহৎ বাংলার ম্যাপ দিয়ে উপদেষ্টা মাহফুজের পোস্ট, সমালোচনার মুখে ‘ডিলিট’

  • আপলোড সময় : ১৭-১২-২০২৪ ০২:৫২:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-১২-২০২৪ ০২:৫২:২৪ অপরাহ্ন
বৃহৎ বাংলার ম্যাপ দিয়ে উপদেষ্টা মাহফুজের পোস্ট, সমালোচনার মুখে ‘ডিলিট’
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন, যাতে তিনি বৃহৎ বাংলার একটি ম্যাপও যুক্ত করেন। তবে তাঁর এই পোস্টটি সমালোচনার মুখে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি এটি সরিয়ে ফেলেন।

পোস্টের শুরুতে মাহফুজ আলম লিখেন, "বিজয় এসেছে, তবে সামগ্রিক নয়, মুক্তি এখনো বহুত দূরে!" এরপর তিনি বলেন, "হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত জনপদ পুনরুদ্ধার ব্যতিত পোকায় খাওয়া পূর্ব পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ দিয়ে আমরা মুক্তিকে ছুঁতে পারব না।"

এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময় পরই মাহফুজ আলম তাঁর পেজ থেকে পোস্টটি মুছে ফেলেন।

মাহফুজ আলমের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

বিজয় এসেছে, তবে সামগ্রিক নয় মুক্তি এখনো বহুত দূরে!

হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত এ অঞ্চলের সভ্যতা ও সংস্কৃতির যে গড়ন, যা আদতে উত্তর ভারতের চাইতে আলাদা - মুসলিম হিন্দু নির্বিশেষে, সে সভ্যতা ও সংস্কৃতির পূর্ণ বিকাশ ও হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত জনপদ পুনরুদ্ধার ব্যতিত পোকায় খাওয়া পূর্ব পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ দিয়ে আমরা মুক্তিকে ছুঁতে পারব না। মানুষের মুক্তির প্রশ্নের সাথে সভ্যতা ও সংস্কৃতির মুক্তির প্রশ্ন ও সম্পর্কিত।

ভারত একটা ঘেরাও ও গেটো কর্মসূচি নিয়েছে। '৪৭ এ হিন্দু মৌলবাদী ও কুলীনদের অখন্ড বাংলাবিরোধিতা থেকে এ পোকায় খাওয়া খন্ড বাংলা দেশের জন্ম। ঐ দেশকে রাষ্ট্র হিসাবে পত্তন করতে হয়েছে পাকিস্তানি হায়েনাদের বিরুদ্ধে একটি জনযুদ্ধের মাধ্যমে। আবার, এ রাষ্ট্রের জন্মদাগ তথা ভারত নির্ভরতা ও ভারতের আধিপত্য মুক্ত রাখতে ’৭৫ আর ’২৪ ঘটাতে হয়েছে। দুই ঘটনার ব্যবধান পঞ্চাশ বছর। কিন্তু, আদতে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। আমরা ভূগোল ও বন্দোবস্তে আটকা পড়ে গিয়েছি।

তাই আমরা বলছি, নূতন ভূগোল ও বন্দোবস্ত লাগবে। একটা খন্ডিত ভূমি, একটা জন্মদাগ নেয়া রাষ্ট্র দিয়ে হয় না, সে ভূমি ও রাষ্ট্রের সভ্যতাগত আকাঙক্ষা ও রূপান্তর আর সাংস্কৃতিক হেজেমনি লাগে। নইলে ’৭১ আর ’২৪ এর বয়ান ও শ্লোগান কেবল মিছে চিৎকার হয়ে পড়ে রইবে।

’৭১ এর পরে ’৭৫ আর ’২৪ এ দুইবার সুযোগ আসার পরেও আমরা ’৭২ এর মুজিববাদী বন্দোবস্তকে পুরাপুরি নস্যাৎ কতে পারিনি। আমরা চেষ্টা করতেই পারি। বারবার প্রাণ দিতে পারি। কিন্তু, এ খন্ডিত , ঘেরাওকৃত, গেটো বাংলা দিয়ে আমরা সত্যিকার বিজয়, স্বাধীনতা কিংবা মুক্তি অর্জন করতে পারব না।

মনে রাখতে হবে, দক্ষিণ এশিয়ায় আশরাফ মুসলিমদের ভূমি পাকিস্তান, ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দুদের ভূমি ভারত, আর হিন্দু মুসলিম দলিত নির্বিশেষে নিপীড়িত মজলুম মানুষের ভূমি বাংলা দেশ। তাই, বাংলা দেশকে এ খাঁচা ছেড়ে বেরুতেই হবে। দক্ষিণ এশিয়া নয়, পুরা গ্লোবাল সাউথ বাংলাদেশের নেতৃত্ব অনুসরণ করবে।


বাংলাদেশের প্রাণ আজ ’২৪ এ শহিদদের কোরাবানির ভেতর দিয়ে মুক্তি খুঁজছে। আর, ’২৪ কেবল শুরু, শেষবিন্দু নয়। এ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব জানেন তাদের লড়াই অসমাপ্ত। এ লড়াই শেষ করতে তারা এখনো জীবন দিতে প্রস্তুত। যাবেও হয়তো তাদের জীবন!
তবু, আমাদের শাহাদাতের উপর দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় ও মুক্তি ত্বরান্বিত হোক!

বি: দ্র: এ ছবিটা ভাসানী, আবুল হাশিম, যোগেন মন্ডল, সোহরাওয়ার্দীসহ সব জাতীয় নেতাই পাকিস্তান আন্দোলনে বিতরণ করেছেন। তাজউদ্দীন ও শেখ মুজিবুর রহমানও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

বাংলাদেশ শুরুর বিন্দু, অন্তবিন্দু নয়।

’৪৭ হয়ে ৭১ থেকে ২৪ এ শেষ নয়,

ইতিহাস এখনো অপেক্ষমান।

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা!

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

পুলসিরাত পার হলেই কি জান্নাত নিশ্চিত?

পুলসিরাত পার হলেই কি জান্নাত নিশ্চিত?