ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা আমরা তো ওই রাজনৈতিক দল না, যে নিশি রাতের ভোট করব : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে সীমান্তে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স ও থার্মাল ড্রোনে নজরদারি করা হবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোসলে নেমে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত করল চীন এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন, কী পারেন না? শপথ নিতে যাওয়া ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বদলি নিয়ে অপপ্রচার, জাতিসংঘ মিশনে নতুন দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতটুকু, বেতন–ভাতাসহ যেসব সুবিধা পান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি সংশোধন হবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি ভোটের মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমেদ ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন দীপু মনি অবশেষে বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে মনোনোয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

বিরোধীদের আপত্তির মুখে ভারতে ‘এক দেশ এক ভোট’ বিল পেশ করল বিজেপি সরকার

  • আপলোড সময় : ১৭-১২-২০২৪ ০৬:১৪:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-১২-২০২৪ ০৬:১৪:৪৬ অপরাহ্ন
বিরোধীদের আপত্তির মুখে ভারতে ‘এক দেশ এক ভোট’ বিল পেশ করল বিজেপি সরকার
ভারতের সংসদে আজ, মঙ্গলবার, দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হয়েছে, যা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় বিপ্লবী পরিবর্তন আনতে পারে। 'এক দেশ এক ভোট' নীতির বাস্তবায়ন উদ্দেশ্যে পেশ করা এই বিল দুটি হল ১২৯তম সংবিধান সংশোধন বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধন বিল। 

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘাওয়াল জানিয়েছেন, সরকার বিল দুটি নিয়ে আরও আলোচনা করতে আগ্রহী এবং তাই এটি যুগ্ম সংসদীয় কমিটিতে (জেপিসি) পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই প্রস্তাবটি দেন। 

এই বিলে একযোগে দেশের সব নির্বাচন (লোকসভা, বিধানসভা, পৌরসভা, পঞ্চায়েত) করার সুযোগ দেওয়া হবে। সরকারের যুক্তি হলো, একসঙ্গে নির্বাচন হলে অর্থের অপচয় কমবে এবং উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হবে না। সরকার মনে করছে, একসঙ্গে নির্বাচন হলে অর্থনীতির ওপর ভোটের প্রভাব কমবে এবং উন্নয়ন থমকে যাবে না। 

বিরোধীরা এই বিলে গভীর আপত্তি জানিয়েছে, তাদের মতে এটি সংবিধানের মূল কাঠামোর ক্ষতি করবে এবং ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে। তারা মনে করছেন, এই বিল একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে। বিরোধীদের মতে, সরকার লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে করলে রাজ্যগুলোর স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন হবে।

এই বিল পাস করতে গেলে দেশের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন এবং রাজ্যগুলোর অর্ধেকের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে, সরকারের দৃঢ় বিশ্বাস, তারা এসব সমর্থন সংগ্রহ করতে পারবে। 

নতুন ব্যবস্থায়, লোকসভার পরবর্তী নির্বাচন ২০২৯ সালে হবে এবং তার পরের ৫ বছরের মধ্যে সব রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচন একযোগে করা হবে, যা কার্যকর হবে ২০৩৪ সাল থেকে। 

এটি বিজেপির দীর্ঘদিনের দাবি, যার মধ্যে লালকৃষ্ণ আদভানি ও অটল বিহারি বাজপেয়ীও একে সমর্থন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন এই নীতির বাস্তবায়ন করতে চান, এবং এর জন্য তিনি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের চিঠি ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না’; শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা