ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের কমিটি কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩-এর ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তরায় ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশের জন্য কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো কোনো বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ওষুধ কারাখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ছে, আরও সহায়তা আসা উচিত: অর্থমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১২ ইউনিট ডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সাথে একমত বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. ইউনূস

ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে আড়াই লাখের বেশি স্বাক্ষর  

  • আপলোড সময় : ২৬-০২-২০২৫ ০৩:০১:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০২-২০২৫ ০৩:০১:৩০ অপরাহ্ন
ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে আড়াই লাখের বেশি স্বাক্ষর  
মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ধনকুবের ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে আড়াই লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি কানাডার সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করছেন। ইলন মাস্ক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় এক ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তার মা মে মাস্কের মাধ্যমে কানাডার নাগরিকত্ব লাভ করেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও পরিচিত। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি একটি বিদেশি সরকারের অংশ হয়ে কানাডার সার্বভৌমত্ব দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে তিনি ট্রাম্পকে শক্তভাবে সমর্থন করছেন, যার অতীত বক্তব্যে কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ পেয়েছে।  

ট্রাম্প একাধিকবার কানাডার রাজনৈতিক নেতাদের উপহাস করেছেন এবং যুক্তি দিয়েছেন যে, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত। এই বক্তব্যের জেরে কানাডার অনেক নাগরিক ক্ষুব্ধ হয়ে ইলন মাস্কের নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে স্বাক্ষর করেছেন। কানাডার ফেডারেল আইন প্রণেতা চার্লি অ্যাঙ্গাস এ বিষয়ে বলেন, 'এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ অলিগার্ক ও চরমপন্থিদের ক্রমবর্ধমান শক্তির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে।বামপন্থি নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (NDP) সদস্য অ্যাঙ্গাস আরও বলেন, 'ইলন মাস্কের মতো ব্যক্তিরা আমাদের দেশের জন্য হুমকি।কানাডার আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অভিবাসন প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করেন, মিথ্যা তথ্য দেন অথবা কানাডার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘাতে বিদেশি বাহিনীতে যোগ দেন, তাহলে তার নাগরিকত্ব বাতিল হতে পারে।  

এই আবেদনের বিপরীতে ইলন মাস্ক বা কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিষয়টি নিয়ে কানাডার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।  

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা

 আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে: মানসুরা