ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এবার লালনের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ইতালিতে নারী হত্যার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র আইন পাস

  • আপলোড সময় : ২৬-১১-২০২৫ ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-১১-২০২৫ ০৩:৩৫:১৩ অপরাহ্ন
ইতালিতে নারী হত্যার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র আইন পাস
ইতালিতে ‘ফেমিসাইড’ বা নারী হত্যার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র একটি আইন পাস করতে দেশটির পার্লামেন্ট সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ভোট দিয়েছেন। এই আইনে নারী হওয়ার কারণে কাউকে বিদ্বেষমূলকভাবে নিশানা করে হত্যা করার অপরাধে ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের’ বিধান রাখা হয়েছে। 



মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর), আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবসে ইতালির পার্লামেন্টে ফেমিসাইড-সংক্রান্ত বিলটি পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে নারী হত্যাকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের তালিকায় যুক্ত হলো ইতালি।



ফেমিসাইড নিয়ে স্বতন্ত্র আইন করার ধারণাটি ইতালিতে আগেও আলোচনা হয়েছিল। তবে ২০২২ সালে জিউলিয়া চেকেত্তিন নামের এক নারী তার সাবেক প্রেমিকের হাতে হত্যার শিকার হওয়ার পর এ-সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। ২০২২ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে ২২ বছর বয়সী জিউলিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন ফিলিপ্পো তুরেত্তা। তুরেত্তা ধরা না পড়া পর্যন্ত ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। 


এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে জিউলিয়ার বোন এলেনার একটি মন্তব্য বেশ আলোড়ন তোলে। তিনি বলেছিলেন, খুনি কোনো দানব নয়; বরং একটি গভীর পিতৃতান্ত্রিক সমাজে বেড়ে ওঠা হৃষ্টপুষ্ট সন্তান। তার এসব কথাই ইতালিজুড়ে হাজারো মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনে এবং তারা পরিবর্তনের দাবি তোলে।


ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বিলটি উত্থাপন করেছিলেন। তার নেতৃত্বাধীন কট্টর-ডানপন্থী সরকারের পাশাপাশি বিরোধীদলীয় পার্লামেন্ট সদস্যরাও আইনটিকে সমর্থন জানিয়েছেন। পার্লামেন্ট সদস্যদের অনেকে লাল রিবন বা লাল জ্যাকেট পরে নারীর প্রতি সহিংসতার শিকারদের স্মরণ করেছেন। এখন থেকে ইতালিতে কোনো নারীকে তার ‘লৈঙ্গিক পরিচয়ের কারণে’ হত্যার শিকার করা হলে, সেটিকে ফেমিসাইড হিসেবে বিবেচনা করা হবে। 



একটি বিশেষজ্ঞ কমিশন সম্প্রতি নারীদের হত্যার ২১১টি ঘটনা বিশ্লেষণ করে এই ফেমিসাইড আইনের খসড়া তৈরি করেছে। ওই বিশেষজ্ঞদের একজন বিচারক পাওলা দা নিকোলা। তার মতে, প্রচণ্ড ভালোবাসা বা প্রবল ঈর্ষা থেকে এ ধরনের হত্যার ঘটনা ঘটছে বলাটা একধরনের বিকৃতি। তিনি আরও বলেন, “এই আইন প্রণয়ণের অর্থ দাঁড়াবে যে আমরাই ইউরোপে প্রথম অপরাধীদের প্রকৃত উদ্দেশ্য চিহ্নিত করেছি। আর তা হলো ক্ষমতা ও আধিপত্য।” এর আগে সাইপ্রাস, মাল্টা ও ক্রোয়েশিয়া তাদের ফৌজদারি বিধিতে ফেমিসাইডের একটি আইনি সংজ্ঞাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।



সূত্র: বিবিসি

কমেন্ট বক্স
সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার

সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার